জামিন পেয়েও যে কারণে কারাগারেই থাকছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস জামিন পেয়েছেন। তবে একাধিক গুরুতর মামলার আসামি হওয়ায় আপাতত তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে দায়ের হওয়া এই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। এর আগে গত ৭ এপ্রিল তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনও আদালত মঞ্জুর করেছিল। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার জামিন শুনানি শেষে আদালত তার পক্ষে রায় দেন।
বিজ্ঞাপন
তবে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলাসহ আরও ছয়টি পৃথক মামলায় অভিযুক্ত থাকায় এই জামিনের পরও তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব মামলার কারণে তাকে কারাগারেই থাকতে হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সহিংস ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞাপন
পুলিশের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের প্ররোচনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। আসামিরা ধারালো অস্ত্র, লাঠি ও ইট ব্যবহার করে সাইফুল ইসলামকে আঘাত করে হত্যা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৫ আগস্ট আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এবং বর্তমানে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
এছাড়াও পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে দায়ের করা আরও পাঁচটি মামলার বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।








