সাভারে পুলিশ হত্যায় গ্রেপ্তার আসামি কারাগারে, রিমান্ড শুনানি রবিবার

সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক মো. আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি মারুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হবে আগামী রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর)।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মারুনকে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তের স্বার্থে তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।
শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান মারুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বড়দেশী পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের অটো গ্যারেজের সামনে একটি অটো রাখা নিয়ে কয়েকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে গেলে সেখানে থাকা লোকজনের সঙ্গে পুলিশ সদস্য আলতাফ হোসেনের বিরোধ তৈরি হয়।
বিজ্ঞাপন
একপর্যায়ে নিরাপত্তার জন্য আলতাফ হোসেন তার ছেলে আরিফুল ইসলামের ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’ নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে অবস্থান নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে কয়েকজন সেখানে গিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি করে এবং ক্যাশবাক্স থেকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে গুরুতর আহত আলতাফ হোসেন ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হত্যা মামলা করেন।








