১৭৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্য তিন দিনের রিমান্ডে

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখায় কর্মরত এক পুলিশ কনস্টেবলকে ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তার রেজাউল করিমকে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর সূত্রাপুরের একটি দোকান থেকে ইয়াবাসহ আটক করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পরে তার বিরুদ্ধে সূত্রাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ডের আবেদন জানায় পুলিশ।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার এসআই সুমন কুমার চ্যাটার্জি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রেজাউল করিমের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি জানতে পারে, সূত্রাপুর থানার বিসমিল্লাহ বিরিয়ানি ঘরের ভেতরে এক ব্যক্তি মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
বিজ্ঞাপন
অভিযানে ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবাসহ রেজাউল করিমকে আটক করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ডিএমপির পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় মামলা করেন।
রেজাউল করিম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখায় কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে রেজাউলের আইনজীবী শাহজালাল মুন্সী (সাকু) রিমান্ড বাতিল করে তার জামিনের আবেদন করেন।
শুনানির একপর্যায়ে আদালত রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে চান। তখন তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার কাছে কোনো ইয়াবা পাওয়া যায়নি। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং ইয়াবাগুলো তার পায়ের কাছে পড়ে ছিল বলে আদালতকে জানান।
বিজ্ঞাপন
তবে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত রেজাউল করিমকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।








