হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, হামলায় জড়িত অন্য আসামিদের পরিচয় শনাক্ত এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য দিলীপ আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তাঁকে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মামলাটি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা হয়। এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের পশ্চিম পাশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
মামলার বাদীর অভিযোগ, ওই দিন সরকার পতনের এক দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকা ছাত্র-জনতার ওপর আসামিদের নির্দেশে প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় গুলিতে তিনি মেরুদণ্ডের নিচে ও কোমরের ওপরের অংশে আহত হন। পরে তাঁকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানায় ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ দায়ের করা এ মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩০৯, ৩২৬, ১০৯ ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) স্বর্ণ ও হীরা কেনার উৎস এবং অর্থপাচারের অভিযোগে গুলশান থানায় দায়ের করা আরেক মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। শুনানিতে আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, আমদানি করা পণ্যের বৈধ কাস্টমস সনদ তাদের কাছে রয়েছে। শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
দিলীপ কুমার আগরওয়ালা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।








