আপিলের সময়সীমা শেষে গ্রেফতার হলেই সাজা কার্যকর: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত পলাতক আসামিদের আপিলের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলে গ্রেফতারের পরই সাজা কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য আইন অনুযায়ী ৩০ দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে। এই সময় পার হয়ে গেলে দণ্ডিত পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে সাজা কার্যকরের আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হলে দণ্ডাদেশ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ২১ ধারায় আপিলের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তী সময়ে আপিল করার সুযোগ থাকবে না।
পলাতক দণ্ডিত আসামিদের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। গ্রেফতারের পর আদালতের দেওয়া দণ্ডাদেশ কার্যকরের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা কয়েকটি মামলায় ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এসব রায়ে আসামিদের কাউকে মৃত্যুদণ্ড, আবার কাউকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতদের মধ্যে অনেকে এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতার এবং আদালতের রায় বাস্তবায়নে কাজ করছে রাষ্ট্রপক্ষ।








