মাঠে মাঠে হাসছে কৃষকের সোনালী ফসল


Janobani

উপজেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, ২৭শে নভেম্বর ২০২২


মাঠে মাঠে হাসছে কৃষকের সোনালী ফসল
ছবি: জনবাণী

কলাপাড়ায় শুরু হয়েছে রোপা আমন ধান কাটার উৎসব। আমন ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। সোনালি ধান হাসি ফুটিয়েছে তাদের মুখে। বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে এখন কেবল ধান আর ধান। হেমন্তের সকালে সে ধানের ডগায় শোভা পাচ্ছে মুক্তার মতো ঝলমলে শিশির বিন্দু। 


কোথাও কোথাও এরই মধ্যে সবুজ ধান পেকে সোনালি বর্ণ ধারণ করেছে। কদিন পর সে পাকা ধান ঘরে উঠবে।  আগাম ধান পাকায় কৃষক-কৃষাণীরা মেতে উঠেছেন ধান কাঠার উৎসবে। অথচ নানান প্রতিকূল আবহাওয়ায় এবার শঙ্কা ছিল কাঙ্ক্ষিত ফলন না পাওয়ার। 


তবে কৃষক ও কৃষি অফিস বলছে, বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলনই হয়েছে। ১৩০০ টাকা শুরতেই দাম পেয়ে খুশি কৃষক তাদের আশা আরও বাড়তে পাড়ে দাম, ধান কাঁটার সাথে সাথেই ধান ব্যবসায়ীরা। ক্ষেত বাসা বাড়ী থেকে কিনে নিয়ে আসে আড়ৎ সেখান থেকে বিভিন্ন জেলার আড়ৎদার ট্রাক ট্রলার যোগে নিয়ে যাচ্ছে নিয়ে যাচ্ছে তাদের জেলায়। 


এ উপজেলায় দুটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে কৃষক পরিবার রয়েছে ৩৫ হাজার ৫০০টি। মোট জমি ৪৯ হাজার ২১০ হেক্টর। এ বছর ৩১ হাজার ২৪০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার ৫৫০ হেক্টরে মৌসুমী উফশী রোপা আমন ও ৮ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে মৌসুমি স্থানীয় রোপা আমন ধানের চাষ করেছেন কৃষকরা। 


এছাড়া সবজি চাষ করা হয়েছে ৫৪০ হেক্টর জমিতে। তবে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে ধানের আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ৯২১ হেক্টর। আংশিক ক্ষতি ৫ শতাংশ হারে সম্পূর্ণ ক্ষতির পরিমাণ ৪৬.০৫ হেক্টর। এছাড়া সবজি ফসলে ৫৪ হেক্টর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০ শতাংশ হারে সম্পূর্ণ ক্ষতি ১০.০৮ হেক্টর বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমআরএম সাইফুল্লাহ বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে উপজেলার কৃষকদের আমন ধান ক্ষেতের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।