জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৫৪ কোটি ডলার

চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনেই দেশে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি ১ লাখ ডলার করে প্রবাসী আয় দেশে প্রবেশ করেছে।
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১২৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
এর আগে জুন মাসে দেশে মোট ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
বিজ্ঞাপন
চলতি বছরের আগের মাসগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে উচ্চ অবস্থানে ছিল। মে মাসে দেশে আসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে রেকর্ড হয়। এর আগে এপ্রিল মাসে আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।
সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে মার্চ মাসে। ওই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠান ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং জানুয়ারিতে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এর আগের বছরের ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে আসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এদিকে অক্টোবর মাসে দেশে আসে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাই মাসে মোট রেমিট্যান্স আসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে মোট ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স অর্জনের রেকর্ড, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।








