বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় ধস, দেশে ভরি কত?

আন্তর্জাতিক বাজারে গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতনের মুখে পড়েছে সোনা। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের জেরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবেই বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় ধরনের চাপ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৮০ দশমিক ৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। তবে দিনের শুরুতে দাম ১ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। অন্যদিকে, আগস্ট ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৮৪ দশমিক ১০ ডলারে নেমে আসে।
চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত সোনার দাম কমেছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ১ জুনের পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত জুন মাসের তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক মূল্যস্ফীতির তথ্যের ইতিবাচক প্রভাবকে ছাপিয়ে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ও উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রত্যাশার তুলনায় কম হলেও তেলের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে বাজারে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা বেড়েছে। একই সঙ্গে বন্ডের উচ্চ আয়ের প্রবণতাও সোনার দামের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
শুধু সোনা নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫৯৯ দশমিক ১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৪৪ দশমিক ১৬ ডলারে নেমেছে। তিনটি ধাতুই এ সপ্তাহে লোকসানের পথে রয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায়।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৪ জুলাই দেশের বাজারের জন্য এসব দাম নির্ধারণ করে।
সূত্র: রয়টার্স








