Logo

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়ল ডিম-সবজির দাম

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
রংপুর
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:৪৮
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়ল ডিম-সবজির দাম
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে পোলট্রি মুরগির ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে মাছ, মাংস ও বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গাজর ১২০-১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫০-১৬০ টাকা, পটোল ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, মুলা ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, চালকুমড়া ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ১৫-২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫-৩০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা এবং করলা ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া কচুরলতি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪৫-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা এবং শসা ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শিমের দাম রয়েছে ১৮০-২০০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৮০-২০০ টাকা এবং ধনেপাতা ১৮০-২০০ টাকা কেজি।

তবে কিছু সবজির দাম কমেছে। ঝিংগা ৭০-৮০ টাকা থেকে নেমে ৬০-৭০ টাকা এবং দেশি নতুন আদা ১২০-১৪০ টাকা থেকে কমে ১০০-১২০ টাকা কেজি হয়েছে। কাঁচামরিচের দামও কিছুটা কমে ১৩০-১৪০ টাকা কেজিতে নেমেছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

টমেটো ১০০-১২০ টাকা, কাঁচকলা প্রতি হালি ২৫-৩০ টাকা, দুধকুষি ৩৫-৪০ টাকা, চিকন বেগুন ৬০-৭০ টাকা, পেঁপে ২০-২৫ টাকা, লাউ ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৩৫-৪০ টাকা এবং শুকনো মরিচ ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আলুর মধ্যে কার্ডিনাল ২০-২৫ টাকা, দেশি সাদা আলু ২৫-৩০ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহীন বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

এদিকে খুচরা বাজারে ডিমের প্রতিহালি দাম ৫০-৫২ টাকা। মুলাটোল আমতলা বাজারের ডিম বিক্রেতা মিরাজুল ইসলাম বলেন, পাইকারি বাজারে ডিমের হালি ৪৮-৫০ টাকা পড়ছে। সামান্য লাভ রেখে খুচরা বাজারে ৫০-৫২ টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

অপরিবর্তিত মুরগি ও মাংসের দাম

রংপুরের মুরগির বাজারে ব্রয়লার ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি ৩১০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৮০-২৯০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৪০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৪০-৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে পরিবর্তন হয়নি।

বিজ্ঞাপন

মডার্ন মোড়ের মুরগি বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণত মাসের শেষ সপ্তাহে মুরগির চাহিদা কিছুটা কম থাকে। এ কারণে দামও গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।

তেল, ডাল ও আটার বাজার

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৫-২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিকন মসুর ডাল ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি মসুর ডাল ১১০-১২০ টাকা, চিকন মুগডাল ১৭০-১৮০ টাকা এবং বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা কেজি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

খোলা চিনি ১১০-১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১১৫-১২০ টাকা হয়েছে। ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৬০-৬৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৫৫ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৭৫-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

চালের বাজারে স্বর্ণা মোটা ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা চিকন ৫২-৫৫ টাকা, বিআর-২৮ ৬০-৬৫ টাকা, বিআর-২৯ ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫৫-৬০ টাকা, মিনিকেট ৮০-৮৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খোলা আতপ চাল ২০০-২১০ টাকা এবং প্যাকেট চাল ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে নেই বড় পরিবর্তন

বিজ্ঞাপন

মাছের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। আকারভেদে রুই ২৫০-৪৫০ টাকা, টেংরা ৪০০-৬০০ টাকা, কই ২০০-৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা, কারপু ২০০-৩০০ টাকা এবং পাঙাস ১৫০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া তেলাপিয়া ১৫০-২২০ টাকা, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৫০-২৫০ টাকা, শিং ৩০০-৫০০ টাকা, সিলভার কার্প ১২০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD