বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে “বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা ২০২৫”-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
বিজ্ঞাপন
‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক এই মেগা আর্ট ইভেন্টে সারাদেশ থেকে অংশ নেয় ৫ হাজার ৮৭১ জন খুদে শিক্ষার্থী। বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পীদের সমন্বয়ে গঠিত জুরিবোর্ড প্রতিযোগিতা শেষে ১৪৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করে। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান।
তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩০ লাখ টাকার ১৪৩টি পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সব ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার ৩ লাখ টাকা, দ্বিতীয় ২ লাখ, তৃতীয় ১ লাখ, চতুর্থ ৭০ হাজার এবং পঞ্চম পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
প্রথম ক্যাটাগরি (তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি)
প্রথম: আরাত্রিকা বড়াল (বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, তৃতীয় শ্রেণি), দ্বিতীয়: রাইছা ইসলাম জেছি (উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ষষ্ঠ শ্রেণি), তৃতীয়: সৌভিক সাহা (নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল স্কুল, ষষ্ঠ শ্রেণি), চতুর্থ: মাহরিন ইসলাম (ওয়াইডাব্লিউসিএ গার্লস স্কুল, চতুর্থ শ্রেণি) এবং পঞ্চম: সাবা ইসলাম বর্ণ (এপিবিএন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ষষ্ঠ শ্রেণি)।
দ্বিতীয় ক্যাটাগরি (সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি)
বিজ্ঞাপন
প্রথম: সুপ্রভা সাহা (নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দশম শ্রেণি), দ্বিতীয়: মো. ইমরুল কায়েস রাফসান (এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজ, ঢাকা, নবম শ্রেণি), তৃতীয়: নাদিদ (বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়, অষ্টম শ্রেণি), চতুর্থ: মাহিরুল বিনতে হক মিহিকা (সাম্পান শিশু ও কিশোর সংগঠন, অষ্টম শ্রেণি) এবং পঞ্চম: জয়িতা দে (শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়, অষ্টম শ্রেণি)।
বিশেষ ক্যাটাগরি (বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন)
বিশেষ পুরস্কার: মায়াস রাসদান এজাজ (ভিশন গ্লোবাল স্কুল, চতুর্থ শ্রেণি)।
বিজ্ঞাপন
দেশের স্কুলপর্যায়ের সর্ববৃহৎ এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ডিসেম্বর। প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-এর নবরাত্রি হলে (হল নম্বর-৪)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুরিবোর্ড প্রধান, স্পেনের রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী গুরু মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া বক্তব্য দেন চিত্রশিল্পী ড. ফরিদা জামান, কথাসাহিত্যিক এমদাদুল হক মিলন এবং বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আনিছুর রহমান।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেছিল। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এন ব্লকে অবস্থিত বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাস ও ইনডোর স্টেডিয়ামে একসঙ্গে বসে খুদে শিল্পীরা ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—এই দুই ঐতিহাসিক অধ্যায় ক্যানভাসে তুলে ধরে।
প্রতিযোগিতার জুরিবোর্ডে ছিলেন লোকজ শিল্পের রূপকার আবদুস শাকুর শাহ, একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী ও অধ্যাপক ড. ফরিদা জামান, একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রচ্ছদশিল্পী ধ্রুব এষ।
বিজ্ঞাপন
তিনটি ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় প্রথম ক্যাটাগরিতে তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি, দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে সপ্তম থেকে দশম এবং তৃতীয় ক্যাটাগরিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।







