রমজানে স্কুল বন্ধ রাখার বিষয়ে যা বলছে মন্ত্রণালয়

সম্পূর্ণ রমজান মাসে সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে এই নির্দেশনা মেনে বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে নাকি সরকারের পক্ষ থেকে আপিল করা হবে, তা নিয়ে এখন আলোচনার পর্যায়ে আছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞাপন
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত, তবে এখনও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং তার পরেই চূড়ান্ত অবস্থান প্রকাশ করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (সরকারি মাধ্যমিক) সাইদুর রহমান এই বিষয়ে বলেন, ছুটির বিষয়ে আমরা আগামীকাল আলোচনা করব। এর আগে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।
বিজ্ঞাপন
এর আগে হাইকোর্টের বেঞ্চ, যেখানে ছিলেন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান, রোববার দুপুরে রমজান মাসে সব সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে যা দেশের আইন, প্রথা ও নীতির অংশ। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে আইন ছাড়া কিছু করা যাবে না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের আইনসম্মত প্রথা ও রীতি মানা বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও ক্লাসে অংশগ্রহণ করলে রোজা রাখতে কঠিন হবে। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলিতে যানজট তীব্র হবে, যা সাধারণ নাগরিকদের জন্য দুর্ভোগের কারণ হতে পারে। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছিল।








