Logo

শিক্ষক বদলি : স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলাও যুক্ত হচ্ছে নীতিমালায়

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭:৫৮
শিক্ষক বদলি : স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলাও যুক্ত হচ্ছে নীতিমালায়
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা সংশোধনের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। সংশোধিত এই নীতিমালায় নতুন করে স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষকদের জন্য বদলির সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৯ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আগের নীতিমালায় নিজ জেলায় কর্মরত শিক্ষক এবং স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের ভিত্তিতে বদলির সুযোগ ছিল। তবে নতুন প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এ দুটি শর্তের পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলাকেও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী সরকারি চাকরির সঙ্গে যুক্ত নন; কেউ ব্যবসা করেন, কেউ আবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ফলে তাদের কর্মস্থল বিবেচনায় বদলি সম্ভব হয় না। এই বাস্তবতা বিবেচনা করেই স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলির সুযোগ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

স্বামী-স্ত্রীর নিজ জেলা নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা জানান, এ ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে বদলির অনুমোদন দেওয়া হবে।

এদিকে সংশোধিত বদলি নীতিমালার খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, নীতিমালার ফাইল বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের দপ্তরে রয়েছে। অনুমোদন মিললেই তা আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হবে।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, অতীতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আবেদন করে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। এনটিআরসিএর প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় থাকা শিক্ষকরা এই সুবিধা পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে বদলি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও সফটওয়্যার প্রস্তুতির অভাব এবং নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় এখনো কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এতে শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত বদলি কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়ে আসছেন।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD