Logo

জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জুলাই, ২০২৬, ১৭:১২
জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। শিক্ষাবর্ষকে আরও সময়োপযোগী করা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময়ের অপচয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী করতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্গঠনের কাজ করছে। এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজন করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ধাপে ধাপে শিক্ষাবর্ষের শুরু ও পাবলিক পরীক্ষার মধ্যকার সামঞ্জস্য ফিরবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় অপচয় হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। সরকার পর্যায়ক্রমে পাবলিক পরীক্ষাগুলো আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এদিকে সংসদের একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষক পদগুলো খুব শিগগিরই পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

খায়রুল কবির খোকন তার প্রশ্নে জানতে চান, বর্তমানে দেশের ৩৪ হাজারেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে কিনা এবং এই শূন্য পদগুলো কবে নাগাদ পূরণ হবে।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা একটি রিট পিটিশন সম্প্রতি নিষ্পত্তি হয়েছে। আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় এখন খুব দ্রুতই যোগ্য শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোর শূন্য পদগুলো পূরণ হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, আগের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় ৬৫ শতাংশ প্রধান শিক্ষক পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান ছিল। তবে নতুন বিধিমালায় সেই হার বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর মামলার কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল। এখন আদালতের রায় পাওয়ার পর সম্পূর্ণ নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে দ্রুত পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD