Logo

২০২৭ শিক্ষাবর্ষেই দেশজুড়ে স্কুল ফিডিং চালু হবে: ববি হাজ্জাজ

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
রংপুর
৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৬:৫৭
২০২৭ শিক্ষাবর্ষেই দেশজুড়ে স্কুল ফিডিং চালু হবে: ববি হাজ্জাজ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। চলমান পাইলটিং কার্যক্রমের ফলাফল সন্তোষজনক থাকলে বছরের শুরুতেই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পাইলটিংয়ে নতুন কোনো ত্রুটি বা জটিলতা ধরা পড়লে সময় কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রেও ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই কর্মসূচি চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুরে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি মডেল বিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি-এটা আমরা দেশব্যাপী সকল স্কুলে আগামী বছর, মানে ২০২৭-এর স্কুল ইয়ার থেকে শুরু করতে পারব। যদি প্রথম থেকে কোনো কারণে শুরু করতে আমরা ব্যর্থ হই, কারণ আমাদের এগেইন পাইলটিং চলছে। সো পাইলটিংয়ের রেসপন্সের ওপরই তো আমরা শুরু করতে পারব। সো ফার পাইলটিং রেসপন্স খুবই ভালো পাচ্ছি আমরা।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

পাইলটিংয়ের আরও ফলাফল পর্যালোচনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সোমবার দিনাজপুর জেলায় চলমান পাইলটিং কর্মসূচি নিয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে কর্মসূচির আরও কিছু চিত্র পাওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত পাইলটিং থেকে ইতিবাচক পর্যালোচনাই পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

২০২৭ সালের শুরুতে কর্মসূচি চালুর সম্ভাবনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এইভাবে চলতে থাকলে ইনশাল্লাহ আগামী বছর, মানে ২৭-এর শুরুতেই করব। আর যদি মাঝখানে কোনো কিছু ব্যাঘাতও ঘটে, মানে আরও কোনো কিছু ফল্টস খুঁজে বের করতে পারি আমরা, তাহলে হয়তো আরেকটু দেরি হতে পারে, বাট ২৭ স্কুল ইয়ারেই শুরু হবে। জাস্ট শুরুতে না হয়ে আর একটু পরের দিকে শুরু হতে পারে। বাট ২০২৭ স্কুল ইয়ারে স্কুল ফিডিং শুরু হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

বিজ্ঞাপন

দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার্থী কমছে এই কথাটা বলছেন, শিক্ষার্থী কমে-বাড়ে এটা কোনো মাথাব্যথা না। মাথাব্যথা হলো-প্রত্যেকটা শিশু স্কুলে যায় এবং প্রত্যেকটা শিশু সঠিকভাবে শিক্ষা লাভ করে। শিক্ষা লাভ কোথায় করছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ইনস্টিটিউশন যেখানে শিক্ষা লাভ করা সম্ভব, প্রত্যেকটা ইনস্টিটিউশন যেন সঠিক শিক্ষা প্রদান করতে সক্ষম হয়। এইটা নজরদারি-এইটা হলো সরকারের দায়িত্ব।

সরকারের দায়িত্ব ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইজ নট আ সার্ভিস প্রোভাইডার। সরকারের দায়িত্ব হলো-প্রত্যেকটা নাগরিক সার্ভিস পাচ্ছে কিনা সেটা ইনসিওর করা। সো যেই জায়গায় অন্য কোনো মোড্যালিটিতে পাচ্ছে না, সেই জায়গায় প্রয়োজনে সরকার নিজে সার্ভিস দেওয়া শুরু করবে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ওই প্রিন্সিপালের ভিত্তিতে তৈরি, যে জনগণ পাচ্ছিল না, তার জন্য সরকার নিজেই প্রাথমিক বিদ্যালয় তৈরি করেছে। কিন্তু সেটার যদি প্রয়োজন না থাকে, তাহলে সেটা প্রয়োজন নাই।

বিজ্ঞাপন

তবে শিক্ষার ক্ষেত্রে দুটি বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেন ববি হাজ্জাজ। তার ভাষায়, একটা হলো প্রত্যেকটা শিশুকে বিদ্যালয়ে যেতে হবে এবং দ্বিতীয় হলো প্রত্যেকটা বিদ্যালয়ে সঠিক শিক্ষা প্রদান করতে হবে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর পিটিআই প্রশিক্ষণার্থীদের আয়োজিত কর্মশালায় যোগ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD