একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফল প্রকাশ করা হয়। পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর ছুটি থাকায় একাদশে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে লগইন করে ফলাফল দেখতে পারবেন। পাশাপাশি আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানানো হচ্ছে।
প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন ফি দিয়ে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে ওই শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
এদিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২৬’-এ ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর কথা ছিল। তবে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে সেদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ এক দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্লাস শুরুর নতুন তারিখ জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। আবেদনের জন্য নির্ধারিত ফি ছিল ২২০ টাকা।
ভর্তি নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ দিতে পেরেছেন। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ ছিল।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
ভর্তি নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা।
বিজ্ঞাপন
নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি বা ছাড়পত্র (টিসি) দিতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি কিংবা এমপিওভুক্তি বাতিলের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।








