যোগদান-পদায়ন নিয়ে সুখবর পেলেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তাদের যোগদান এবং ৪ অক্টোবর নিজ নিজ বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে।
বিজ্ঞাপন
‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫’-এর আওতায় শূন্য পদে এসব প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর দীর্ঘ সময় ধরে যোগদানের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। এর মধ্যে দ্রুত যোগদান ও পদায়নের দাবিতে প্রার্থীদের আন্দোলনও হয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। এরপর ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন তারা। যোগদানের পর ৪ অক্টোবর তাদের নিজ নিজ বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পদায়নের পর হবে প্রশিক্ষণ
নতুন শিক্ষকদের নিয়োগপ্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, বিদ্যালয়ে পদায়নের পর তাদের প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে।
বিজ্ঞাপন
প্রশিক্ষণকে নতুন শিক্ষকদের পেশাগত প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে নিয়োগ, পদায়ন ও প্রশিক্ষণ—এই ধাপগুলো সম্পন্ন করেই তাদের নিয়মিত পাঠদানের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে।
১৪ হাজার ৩৮৪ জন কীভাবে নির্বাচিত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি তাদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের কাজও সম্পন্ন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় যোগদান করতে না পারায় নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। দ্রুত যোগদান ও পদায়নের দাবিতে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
বিজ্ঞাপন
এরপর সরকার ১ অক্টোবর যোগদানের তারিখ নির্ধারণ করে এবং ৪ অক্টোবর পদায়নের সময়সূচি জানায়। ৮ সেপ্টেম্বর সংসদে দেওয়া তথ্যেও একই সময়সূচি পুনরায় জানানো হয়।
ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ কার্যক্রম এখন যোগদান ও পদায়নের পর্যায়ে পৌঁছেছে।








