Logo

দুই বিষয়ে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
বগুড়া
১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫:৩০
দুই বিষয়ে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে পুনঃপরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে না পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি জানান, পরীক্ষায় অকৃতকার্য ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষার ধারায় ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। যারা উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের পাশাপাশি যারা ব্যর্থ হয়েছে বা পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এসএসসির পুনঃপরীক্ষার পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফলাফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেইলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না। ১৫ দিনের মধ্যে নেওয়া পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে তারা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবে নাকি থাকবে না। সেখানে না পারলে তাদেরকে আমরা কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাব।’

বিজ্ঞাপন

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার শুরু থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব হয়।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকেই সংস্কৃতি, খেলাধুলা, নৈতিকতা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শেখার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের রুটিন দায়িত্বে থাকা সচিব ড. সরদার কেরামত আলী।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত উদ্যোগটির লক্ষ্য হলো অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরবর্তী শিক্ষাপথ নির্ধারণ করা এবং প্রয়োজনে তাদের কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা। তবে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিস্তারিত নিয়ম ও সময়সূচি সম্পর্কে বক্তব্যে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD