সালমান শাহর মৃত্যু ২৯ বছরে, রহস্যের জট এখনো অমীমাংসিত

বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে উজ্জ্বল এক নক্ষত্র ছিলেন সালমান শাহ। নব্বইয়ের দশকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ঢালিউডে এনে দেন নতুন প্রাণ।
বিজ্ঞাপন
বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে উজ্জ্বল এক নক্ষত্র ছিলেন সালমান শাহ। নব্বইয়ের দশকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ঢালিউডে এনে দেন নতুন প্রাণ। প্রথম সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ (১৯৯৩) দিয়েই দর্শকের মনে জায়গা করে নেন তিনি। এরপর একে একে ২৭টি জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়ে হয়ে ওঠেন বাংলা সিনেমার ত্রাতা।
কিন্তু ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে চলে যান এই কিংবদন্তি নায়ক। রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের একটি ফ্ল্যাটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথম ময়নাতদন্তে মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
গত ২৯ বছর ধরে তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালিয়েছে থানা পুলিশ, সিআইডি, ডিবি, র্যাব এবং সর্বশেষ পিবিআই। এমনকি বিচার বিভাগীয় তদন্তও হয়। তবে কোনো সংস্থাই নিশ্চিতভাবে কারণ বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পিবিআই সাড়ে তিন বছর তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়, কিন্তু সালমান শাহর পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে পুনঃতদন্তের আবেদন করেছে।
চলতি মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আদালতে শুনানি নির্ধারিত হয়েছে। এর আগে গত ২৬ আগস্ট শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে না পারায় তারিখ পেছানো হয়। বর্তমানে ইংল্যান্ডে থাকা নীলা চৌধুরীর হয়ে মামলার রিভিশন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তার ভাই আলমগীর কুমকুম।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, নায়কের মৃত্যুর বিচার দাবিতে ভক্তরা ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছেন।
১৯৯৬ সালের সেই দিনটিতে আকস্মিক বিদায়ের পরও দর্শকের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন ‘চিরতরুণ’ সালমান শাহ। তার মৃত্যু রহস্যের সমাধান কবে হবে, সেটিই এখন ভক্ত-পরিবারের বড় প্রশ্ন।
বিজ্ঞাপন
এএস








