এপস্টেইনের সাম্রাজ্যে যেতেন মাইকেল জ্যাকসনও!

বিশ্বজুড়ে আলোচিত ‘এপস্টেইন ফাইলস’ প্রকাশের পর নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের গড়ে তোলা অপরাধচক্র এবং তার সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যোগাযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে।
বিজ্ঞাপন
এই তালিকায় আগেই উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক এবং মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসসহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম। এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছেন পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন এবং রক কিংবদন্তি মিক জ্যাগার।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতকৃত এপস্টেইন ফাইলসের একটি বড় অংশ প্রকাশ করা হয়। এসব নথিতে রাজনীতি ও বিনোদন জগতের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম, ছবি ও যোগাযোগের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, জেফ্রি এপস্টেইন ও তার সহযোগী গিজলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন প্রমোদ ভ্রমণ ও সামাজিক আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন অনেক তারকা। একটি ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনকে ডায়ানা রস ও বিল ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা গেছে। অন্য একটি ছবিতে তাকে এপস্টেইনের পাম বিচের বাড়িতেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
তবে নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব ছবি বা তথ্যের কোথাও মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া ২০১৬ সালের একটি জবানবন্দিতে এপস্টেইনের এক অভিযোগকারী জানান, তিনি এপস্টেইনের বাড়িতে মাইকেল জ্যাকসনকে দেখেছিলেন। তবে ওই জবানবন্দিতেও জ্যাকসনের বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিক বা বেআইনি আচরণের অভিযোগ তোলা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, রোলিং স্টোনস ব্যান্ডের তারকা মিক জ্যাগারের একটি ছবিও নথিতে পাওয়া গেছে, যেখানে তাকে বিল ক্লিনটন ও এপস্টেইনের সঙ্গে একটি ডিনারে দেখা যায়। সেখানেও জ্যাগারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
নথিতে বিনোদন জগতের বাইরে রাজনীতিকদের মধ্যে বিল ক্লিনটন এবং অভিনেতা ক্রিস টাকারের নাম ও ছবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিচার বিভাগের এই নতুন তথ্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ছে। তবে মার্কিন বিচার বিভাগ স্পষ্ট করেছে, যাদের নাম নথিতে এসেছে, তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।








