পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে চমক দেখাচ্ছেন যেসব তারকা

২০২৬ সালের ভারতের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনীতি ও বিনোদনের সীমারেখা প্রায় মিশে গেছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তামিলনাড়ু—বিভিন্ন রাজ্যে জনপ্রিয় তারকারা এবার সরাসরি ভোটের লড়াইয়ে নেমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
বিজ্ঞাপন
দলগুলোর কৌশলগত প্রার্থী তালিকায় যেমন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ আছেন, তেমনি জায়গা করে নিয়েছেন চলচ্চিত্র, সংগীত ও টেলিভিশনের পরিচিত মুখরাও। দুই দফা ভোট শেষে এখন নজর পুরো ফলাফলের দিকে।
পশ্চিমবঙ্গের চৌরঙ্গি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অভিনেত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন অরুন্ধতী “লাভলী” মৈত্র।
বিজ্ঞাপন
সোনারপুর দক্ষিণে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। মানিকতলা আসনে তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অভিনেত্রী শ্রেয়া পাণ্ডে। শ্যামপুর আসনে বিজেপির প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
বরানগর থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিবপুর আসনে বিজেপির প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। টালিগঞ্জে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী পাপিয়া দে অধিকারী।
বিজ্ঞাপন
সংগীত অঙ্গন থেকেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ। গোপালপুর–রাজারহাট আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন কীর্তনশিল্পী অদিতি মুন্সী। চন্দননগরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন।
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতেও তারকা প্রভাব স্পষ্ট। অভিনেতা থালাপতি বিজয় নিজের নতুন দল গড়ে প্রথমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার উপস্থিতিতে রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে ডিএমকে নেতা ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিন তরুণ ভোটারদের সংগঠিত করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। পরিচালক-অভিনেতা সীমানও নিজ দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।
বিজ্ঞাপন
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের এই নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং তারকাদের উপস্থিতিতে এক ধরনের “স্টার স্টাডেড” প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে—যেখানে গ্ল্যামার ও গণতন্ত্র একসঙ্গে পথ চলছে।








