আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলির ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে যা বললেন বড় ভাই

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তার বড় ভাই মোহাম্মদ আনিস আকবর। তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যথাযথভাবে যাচাই করলে হামলার সূত্র পাওয়া যেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর মগবাজারে বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সে সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হননি।
ভাইয়ের গাড়িতে গুলি চালানোর খবর পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন আনিস আকবর। ফজরের নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারেন তিনি। পরে অফিসে যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আনিস আকবর বলেন, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে এমন ঘটনা কাম্য নয়। সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে আসিফের বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। অন্যথায় গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানান। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি তদন্তের ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
আনিস আকবরের মতে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
পরিবারের সদস্যরা ভালো আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আশপাশের মার্কেটের সিসিটিভি ফুটেজ গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। ফুটেজ যাচাই করলে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার সূত্র পাওয়া যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আনিস আকবর। ছোট ভাইকে লক্ষ্য করে এমন ঘটনা ঘটায় তিনি নিজেও আতঙ্কিত বলে জানান। আসিফের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে পার্ক করা আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ।








