Logo

২০ দিনে সাড়ে ২৬ লাখের বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১৪:১৪
২০ দিনে সাড়ে ২৬ লাখের বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

দেশব্যাপী পরিচালিত হাম প্রতিরোধ টিকাদান কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে মোট ২৬ লাখ ৫০ হাজার ৩৯ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মোট ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সে লক্ষ্যেই দেশজুড়ে কর্মসূচি জোরদারভাবে চালানো হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের অগ্রগতিও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার খালের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫৬১ কিলোমিটার খনন সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট কাজের প্রায় ৪৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

এসময় তিনি বাংলা নববর্ষ উদযাপন প্রসঙ্গেও কথা বলেন। চলতি বছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজন নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, বাস্তবে তা সফলভাবে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষ করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ভবিষ্যতে এই উৎসবকে আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কেবল কয়েক দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পুরো মাসজুড়ে বৈশাখী উৎসব ছড়িয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার।

বিজ্ঞাপন

একই সঙ্গে আঞ্চলিক পর্যায়ে নববর্ষ উদযাপনের সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ—যেমন মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং ভারতের কিছু অঞ্চলে একই সময়ে নববর্ষ পালিত হয়। এসব দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি যৌথ সাংস্কৃতিক উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক কূটনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের পারস্পরিক সফরের সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, ইরানসহ বিভিন্ন দেশে পারসিক নববর্ষ ‘নওরোজ’ সম্মিলিতভাবে উদযাপনের যে ধারা রয়েছে, সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশও আঞ্চলিক নববর্ষ উদযাপনের উদ্যোগ নিতে চায়।

তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন কেবল উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং এটি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করবে এবং জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD