Logo

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ মে, ২০২৬, ২১:৩৩
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ফাইল ছবি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মাণ শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাস্থ্যসেবা খাতে অবকাঠামোর অপচয় রোধ এবং জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লার আধুনিক শিশু হাসপাতাল ভবনগুলো বছরের পর বছর ব্যবহারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পরই তিনি দ্রুত উদ্যোগ নেন।

এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অব্যবহৃত হাসপাতালগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নিতে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আগামী ২ জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আলোচনায় কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিষয়টিও উঠে আসে। বর্তমানে আংশিক চালু থাকা ৫০০ শয্যার এই হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য স্থগিত হাসপাতাল প্রকল্প দ্রুত চালু করতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেওয়া হয়।

এদিকে, নীলফামারীতে নির্মাণাধীন এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজও দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করে কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, নীলফামারী সদর উপজেলায় নির্মিতব্য বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল প্রকল্পটি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ। প্রতিটি জেলায় আধুনিক ‘সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার সঙ্গে এই প্রকল্প সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় দুই কোটি মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। উচ্চ দারিদ্র্য হার, সীমিত স্বাস্থ্য অবকাঠামো এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতির কারণে জটিল রোগের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল চালু হলে এটি উত্তরাঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। পাশাপাশি উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে এটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD