Logo

বহু আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
২৫ জুলাই, ২০২৫, ২৪:৩১
বহু আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

বহু আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

বিজ্ঞাপন

রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) চীন সীমান্তবর্তী আমুর অঞ্চলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তথ্যমতে, বিমানে পাঁচ শিশুসহ প্রায় ৫০ জন আরোহী ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

রুশ সংবাদ সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সাইবেরিয়া-ভিত্তিক আঙ্গারা এয়ারলাইনস পরিচালিত এএন-২৪ মডেলের বিমানটি টিন্ডা শহরের দিকে যাচ্ছিল। পথে হঠাৎ করে এটি রাডার স্ক্রিন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং এর সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিজ্ঞাপন

দুর্ঘটনার পরপরই রুশ কর্তৃপক্ষ বিমানটির সন্ধানে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। কিছু সময় পর আমুর অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। বিমানটিতে আগুন লেগেছিল বলেও জানা গেছে।

রাশিয়ার আঞ্চলিক গভর্নর ভ্যাসিলি অরলভ এক বিবৃতিতে বলেন, “বিমানটিতে পাঁচ শিশুসহ ৪৩ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। উদ্ধার অভিযানে জরুরি বাহিনীর সব ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে।”

বিজ্ঞাপন

তবে রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানে আরোহীর সংখ্যা গভর্নরের তথ্যের তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে—প্রায় ৪০ জনের মতো।

বিজ্ঞাপন

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ বা হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

বিমানটির মডেল: এএন-২৪ মডেলের এই বিমানটি সাধারণত ছোট ও মাঝারি দূরত্বের যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। এটি একাধিক দশক ধরে বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যদিও এই মডেলের উপর বেশ কিছুবার দুর্ঘটনার অভিযোগও রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখযোগ্য তথ্য: বিমান সংস্থা: আঙ্গারা এয়ারলাইনস, বিমান মডেল: এএন-২৪, গন্তব্য: টিন্ডা শহর, অবস্থান: আমুর অঞ্চল, রাশিয়া, সংযোগ বিচ্ছিন্ন: রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর, অবস্থা: ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার, আগুনের প্রমাণ

বিজ্ঞাপন

উপসংহার: এই দুর্ঘটনা আবারও বিমান নিরাপত্তা এবং জরুরি অবতরণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাশিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। আশা করা হচ্ছে, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

আরএক্স/

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD