খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে শোক ও শ্রদ্ধা

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী এবং হাউস লিডার টনি বার্ক এক বিশেষ বক্তব্যে তার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করেন।
বিজ্ঞাপন
পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে টনি বার্ক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রেখে গেছেন। তিনি শুধু বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, বরং দক্ষিণ এশিয়ায় নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একজন পথিকৃৎ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল সোনার দাম
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলীয় সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মানুষের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞাপন
টনি বার্ক তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। ওই বার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয় এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়।
এ সময় তিনি অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। টনি বার্ক বলেন, বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে যে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে, অস্ট্রেলিয়া বরাবরের মতোই তাতে সমর্থন দিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে দেওয়া এই বক্তব্যকে দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।








