বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ইরান: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জসিম বিন জাবের আল থানি ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, কাতার ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে ইরানের হামলা অপ্রত্যাশিত এবং অযৌক্তিক।
বিজ্ঞাপন
রবিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কাতার এবং উপসাগরীয় অন্যান্য দেশগুলোকে বারবার জানিয়েছি, আমরা এই যুদ্ধে অংশ নিচ্ছি না এবং উত্তেজনা বাড়াতে চাই না; বরং কূটনৈতিক পন্থায় সংকট সমাধানের চেষ্টা করছি। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর ঘণ্টার মধ্যে ইরান আমাদের দেশগুলোতে নির্বিচারে হামলা চালায়।”
‘কিন্তু যুদ্ধ শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে আমরা দেখলাম, কাতার এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে নির্বিচারে হামলা করছে ইরান। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেছেন, প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে হামলার কারণে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী; কিন্তু তার এ বক্তব্যের পরও আমাদের লক্ষ্য করে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে ইরান।
বিজ্ঞাপন
‘এটা বড় ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা এবং বন্ধুসুলভ প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলার মাধ্যমে ইরান যে ভুল করছে— তা সবকিছু ধ্বংস করবে।’
‘তবে আমরা কোনো প্রতিশোধমূলক হামলায় যাবো না; বরং ইরানের সঙ্গে সংলাপ এবং কূটনৈতিক পন্থায় সংকট সমাধানে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’
প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে স্থাপন করা নিজেদের সেনাঘাঁটিগুলো ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান মূলত হামলা চালাচ্ছে এসব সেনাঘাঁটি ও মার্কিন সেনাস্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে। তবে এর পাশাপাশি গত কয়েক দিনে সৌদি, কুয়েত, কাতারের সরকারি ভবন ও জ্বালানি অবকাঠামোগুলোতেও বেশ কয়েক দফা হামলা করেছে ইরান।
বিজ্ঞাপন
কাতারের দোহার থেকে দূরে মরুভূমিতে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ফরওয়ার্ড সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করছে। এখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা মধ্যপ্রাচ্য থেকে কাজাখস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে।
সূত্র : আলজাজিরা








