জ্বালানি সংকটে তেল ব্যবসায়ীদের দায় দিলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য তেল ব্যবসায়ীদের দায়ী করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চারভিরাকুল। তার অভিযোগ, অতিরিক্ত মুনাফার আশায় জ্বালানি মজুত ও পাচারের কারণেই দেশে এই সংকট তীব্র হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে জ্বালানি মজুত ও প্রতিবেশী দেশে পাচারের একাধিক ঘটনা শনাক্ত করেছে। এর ফলে দেশজুড়ে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের প্রায় ৫০ বিলিয়ন বাথ (প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার) ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহ বিলম্ব করে মূল্য বাড়ার পর বিক্রির প্রবণতাও দেখা গেছে। পাশাপাশি কিছু চালান অন্যত্র সরিয়ে মজুত রাখা হয়েছে এবং সেগুলো পাচার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সরকারি পর্যবেক্ষণে আরও জানা গেছে, স্থল ও সমুদ্রপথে বড় ও মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। দক্ষিণ থাইল্যান্ডে সমুদ্রপথে পরিবহনের সময় ৫৭ মিলিয়ন লিটারের বেশি জ্বালানির কোনো হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি বিশেষ মামলা হিসেবে তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মার্চের শেষ থেকে ধারাবাহিকভাবে জ্বালানির দাম বাড়ায় জনমনে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও পড়েছে, যার কারণে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ভিয়েতনামেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। সেখানে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৪৬,২০০ ডং-এ পৌঁছেছে, যা ফেব্রুয়ারির শেষের তুলনায় ১৪০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি তহবিল ব্যবহার ও পরিবেশ কর প্রত্যাহারের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।








