যৌথ হামলায় ইরানে ৯৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানে অন্তত ৯৪২টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এ তথ্য জানান। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বসতবাড়ি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ব্যাপক ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
মুখপাত্র জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলো পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে অন্তত দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। তবে গত দেড় মাসের হামলায় শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়, ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের হামলায় মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১ লাখ ঘরবাড়ি, ২০ হাজার ৫০০ দোকান এবং ৩৩৯টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণে তিন মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিশেষ গৃহঋণ সুবিধার কথাও জানিয়েছে সরকার।
বিজ্ঞাপন
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে ৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলসহ ইরাক, জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সম্প্রতি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও পরিস্থিতি এখনো অস্থির।
এদিকে সংঘাত প্রশমনে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই আলোচনা থেকেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা আসেনি বলে জানা গেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি








