ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ৬টি মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি আলোচনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল পৌঁছানোর আগেই অন্তত ছয়টি মার্কিন সরকারি উড়োজাহাজ পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। এসব উড়োজাহাজে যোগাযোগ সরঞ্জাম, মোটরকেড সহায়তা ও অতিরিক্ত বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে সোমবার ইসলামাবাদের প্রধান ভিআইপি প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত এই ঘাঁটিতে পৌঁছায়।
বিজ্ঞাপন
সোমবার কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে অবতরণ করা এসব উড়োজাহাজের মধ্যে অন্তত দু’টি আজ (সোমবার) অবতরণ করেছে এবং বাকি চারটি গত ৪৮ ঘণ্টার বিভিন্ন সময়ে সেখানে পৌঁছেছে।
এদিকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনার দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তুতি পর্যালোচনার জন্য পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বিজ্ঞাপন
তবে ইরান এখন পর্যন্ত পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। যদিও নকভি বলেছেন, সব আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সফরকারী প্রতিনিধি দলের জন্য ‘‘অভেদ্য নিরাপত্তা’’ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সাম্প্রতিক ইরান সফর সম্পর্কেও ইরানি রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন ইরানি রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকে ইসলামাবাদের প্রধান কমিশনার, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং ডেপুটি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ইরান নিশ্চিতভাবেই আশাবাদী নয়; তবে বাস্তববাদী।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কেউ বলতেই পারেন যে এখানে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার হতাশাবাদ রয়েছে... এবং এটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। ইসমাঈল বাঘাই বলেন, শত্রুর বিষয়ে হতাশাবাদী মানেই হলো বিজ্ঞ হওয়া।
তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন মার্কিন প্রতিনিধি দল নতুন আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছে। কিন্তু ইরান এখনও তাদের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি।








