ইরানের তেল শোধনাগারে গোপনে হামলা চালিয়েছিল আরব আমিরাত

ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গোপনে অংশ নিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)—এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এপ্রিলে পারস্য উপসাগরে ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগারে হামলা চালায় আমিরাত। তবে এ ঘটনায় আবুধাবি আনুষ্ঠানিক কোনো স্বীকারোক্তি দেয়নি।
টাইমস অব ইসরায়েল-এর তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলার সময়টি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কাছাকাছি। তবে হামলাটি যুদ্ধবিরতির আগে নাকি পরে হয়েছে—তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
বিজ্ঞাপন
সে সময় ইরান অভিযোগ করে, তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অজ্ঞাত পক্ষ হামলা চালিয়েছে। পরে এর পাল্টা জবাবে আমিরাত ও কুয়েতকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।
অন্যদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু দেশ সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও আমিরাতের সম্পৃক্ততাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছিল ওয়াশিংটন।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। একইভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনও।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধ চলাকালে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টির বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি হামলার অন্যতম বড় ভুক্তভোগী হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বিবেচনা করা হয়।
সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, টাইমস অব ইসরায়েল








