নবম শ্রেণিতে তিন ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকেই কার্যকর

ভারতের স্কুল শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটির শিক্ষার্থীদের নবম শ্রেণি থেকে তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকেই এ নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।
বিজ্ঞাপন
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নীতির আওতায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য তিন ভাষাভিত্তিক শিক্ষা কাঠামো চালু করা হবে।
সিবিএসইর জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দুটি ভাষা শিখতে হবে। ভাষাগুলোকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে— আর-১, আর-২ এবং আর-৩।
বিজ্ঞাপন
এর মধ্যে আর-১ ও আর-২ বিভাগে থাকবে দুটি ভারতীয় ভাষা। অন্যদিকে আর-৩ বিভাগে শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে। বোর্ডের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের স্থানীয় সংস্কৃতি ও বহুভাষিক দক্ষতা গড়ে তুলতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
শিক্ষানীতিতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থী দুটি ভারতীয় ভাষা অধ্যয়ন করে, তাহলে সে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা চতুর্থ ভাষা হিসেবে নিতে পারবে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় পাঠ্যবই প্রকাশের কাজও শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড় ও গুজরাতিসহ অন্তত নয়টি ভাষায় বই প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
নতুন নীতিতে ইংরেজিকে বিদেশি ভাষার ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় ভাষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষারও সুযোগ পাবে।
ভারতের শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বহুভাষিক শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশটির সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে আরও সচেতন করে তুলবে।








