মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলার হুমকি ইরানের

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে নতুন করে হামলা হলে শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যে তার মিত্রদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের জ্বালানি খাতের স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পৃক্ত জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী।
সূত্রগুলোর দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে যেসব তেল, গ্যাস বা জ্বালানি কোম্পানিতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের অংশীদারত্ব রয়েছে, সেগুলোকে সম্ভাব্য বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মাহশাহর পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলের বন্দরনগরী হাইফার একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে একই ধরনের সংঘাতের সময়ও ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলো হামলার শিকার হয়েছিল। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে রোববার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় একই রাতে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে অন্তত ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরানের সামরিক বাহিনী। এরপর সোমবার সকালে ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালিয়ে তেহরান, ইস্ফাহানসহ ইরানের তিনটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
বিজ্ঞাপন
সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে। এর কিছু সময় পর ইরান থেকেও নতুন করে একাধিক দফায় ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: ফারস নিউজ








