Logo

ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে এক বছরে ট্রাম্পের আয় ১২০ কোটি ডলার

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১ জুলাই, ২০২৬, ১৬:১১
ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে এক বছরে ট্রাম্পের আয় ১২০ কোটি ডলার
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালে ক্রিপ্টোকারেন্সি–সংশ্লিষ্ট ব্যবসা থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয় করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিকস প্রকাশিত সর্বশেষ আর্থিক বিবরণীতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৮ সালের আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টকে নিয়মিত তাদের আয় ও সম্পদের হিসাব প্রকাশ করতে হয়। প্রকাশিত ৯০০ পৃষ্ঠার বেশি নথিতে ট্রাম্পের বিভিন্ন আয় ও বিনিয়োগের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

নথি অনুযায়ী, ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল নামের একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি স্টার্টআপের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থেকে ট্রাম্প প্রায় ৫৫ কোটি ডলার আয় করেছেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া এ প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প পরিবার তাদের নাম ও সমর্থন দেয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি ডব্লিউএলএফআই (WLFI) নামে একটি ডিজিটাল মুদ্রাও চালু করে।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া ট্রাম্প এবং তার তিন ছেলে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ডিটি মার্কস ডিফাই–এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ২ হাজার ২৫০ কোটি ডব্লিউএলএফআই টোকেনের মালিকানা পেয়েছেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠানটি ডলারের মূল্যের সঙ্গে সংযুক্ত একটি স্টেবলকয়েনও বাজারে আনে।

ফোর্বস–এর তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টো খাতে বিনিয়োগের কারণে ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। এ সময়ে তার সম্পদের মূল্য ২৩০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ৬৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

তবে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগ এবং একই সঙ্গে ওই খাতের নিয়ন্ত্রণ শিথিলে বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের দাবি, এসব পদক্ষেপের ফলে ক্রিপ্টো সম্পদের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের পাশাপাশি ট্রাম্প কয়েনবেসসহ ক্রিপ্টো খাতের একাধিক তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার থেকেও কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।

বর্তমানে ট্রাম্পের সম্পদের ব্যবস্থাপনা তার ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের পরিচালিত একটি ট্রাস্টের অধীনে রয়েছে। তবে ট্রাস্টের নীতিমালা অনুযায়ী, এটি যেকোনো সময় বিলুপ্ত করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষে ট্রাম্প চাইলে আবারও এসব সম্পদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: এএফপি

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD