খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে থাকছেন ৬০০ বিদেশি সাংবাদিক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০০ বিদেশি সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধি অংশ নেবেন। আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞাপন
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানা গেছে, দেশটির সংস্কৃতি ও ইসলামি দিকনির্দেশনাবিষয়ক মন্ত্রী আব্বাস সালেহি জানিয়েছেন, জানাজা উপলক্ষে গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, এটি দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শেষকৃত্য অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এতে দেড় থেকে দুই কোটিরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আব্বাস সালেহি বলেন, দেশীয় গণমাধ্যমের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০০ সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা পুরো আয়োজন সরাসরি কাভার করবেন, যাতে অনুষ্ঠানটির বিভিন্ন দিক বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা যায়।
তিনি আরও জানান, রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টির বেশি দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
মন্ত্রীের ভাষ্য, খামেনির জানাজা কেবল একজন নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আয়োজন নয়; এটি জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সংহতি এবং বহিরাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইরানের অবস্থানও তুলে ধরবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, দেশের খ্যাতিমান প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতাদের একটি দল পুরো আয়োজন নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র নির্মাণ করছে। পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত সংরক্ষণের জন্য বিশেষ আলোকচিত্র কার্যক্রমও পরিচালিত হবে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। এরপর ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোম, ৮ জুলাই ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে শোকানুষ্ঠান হবে। সবশেষে ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধের প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।
সূত্র: প্রেস টিভি








