ইরাকের কাছেও প্রভাবশালী নেতা ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা চলছে। ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় এ আয়োজনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এ প্রেক্ষাপটে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ বলেন, খামেনি শুধু ইরানেই নন, ইরাকেও একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হতেন।
বিজ্ঞাপন
তার ভাষ্য, ইরাক শিয়া-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটি একদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি, অন্যদিকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই সেখানে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকার গঠনের সমীকরণ পর্যবেক্ষণ করছে, আর ইরান চাইছে তাদের সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান ও প্রভাব বজায় থাকুক।
পল মাসগ্রেভ বলেন, ইরাকে খামেনির জানাজা ঘিরে আয়োজন দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। বিশেষ করে দেশটির শিয়া জনগোষ্ঠীর সঙ্গে খামেনির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তাকে ইরাকেও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, নাজাফ শিয়া মুসলমানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। তাই সেখানে খামেনিকে ঘিরে আয়োজনের মধ্যে রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। একই সঙ্গে এটি ইঙ্গিত করে যে, ইরান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মাধ্যমে নিজস্ব সীমানার বাইরে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা








