সোনার দাম আরও কমতে পারে, সতর্ক করল জেপি মরগান

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ালে সোনার বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
জেপি মরগানের মতে, সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত সোনার মতো সুদবিহীন সম্পদ থেকে সরে গিয়ে বেশি মুনাফার সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করেন। ফলে মূল্যবান এই ধাতুর চাহিদা ও দাম—দুটিই কমতে পারে।
প্রতিষ্ঠানটি তাদের আগের মূল্যায়নের তুলনায় সোনার দামের পূর্বাভাসও কমিয়েছে। নতুন হিসাবে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ডলার এবং চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ডলারে থাকতে পারে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত ৯ জুন প্রকাশিত পূর্বাভাসে জেপি মরগান জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই পূর্বাভাস থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ২১ ডলারে লেনদেন হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে মূল্যবান ধাতুটির দাম মোট দুই শতাংশের বেশি বেড়েছে।
তবে স্বল্পমেয়াদে চাপ থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার নিয়ে আশাবাদী জেপি মরগান। ব্যাংকটির ধারণা, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা ক্রয় এবং প্রকৃত চাহিদা বাড়ার ফলে ২০২৭ সালের মধ্যে বাজার আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুরও পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মতে, আগামী সময়ে প্রতি আউন্স রুপার গড় দাম ৬০ থেকে ৬৫ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।
এ ছাড়া ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্ল্যাটিনামের দাম প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮০০ ডলার এবং ২০২৭ সালে তা ১ হাজার ৯৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে প্যালাডিয়ামের দাম আউন্সপ্রতি প্রায় ১ হাজার ৩৫০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: রয়টার্স








