Logo

খামেনির জানাজায় ইমামতি করা কে এই আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭
খামেনির জানাজায় ইমামতি করা কে এই আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের চার সদস্যের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায়। এই জানাজায় ইমামতি করেন ইরানের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই জানাজায় প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের দাবি, এতে প্রায় দুই কোটি মানুষের উপস্থিতি ছিল। দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শোকাহত মানুষ এবং বিদেশি সমর্থকরাও জানাজায় অংশ নেন।

ইরানে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় এই গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহর বয়স ৯৭ বছর। তিনি কোম সেমিনারির মুজতাহিদদের কাউন্সিলের একজন শীর্ষস্থানীয় সদস্য। কোম সেমিনারি দ্বাদশী শিয়া মতবাদের শিক্ষা ও গবেষণার দুটি প্রধান কেন্দ্রের একটি।

বিজ্ঞাপন

তিনি ইরানের ইমাম সাদিক ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। এর আগে তিনি কোমের সোসাইটি অব সেমিনারি টিচার্সের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইসলামী জ্ঞানের প্রায় সব শাখায় তার গবেষণা ও অবদান ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং তার কাজ সমালোচনামূলকভাবে মূল্যায়িত হয়ে থাকে। আয়াতুল্লাহ সোবহানী একজন অত্যন্ত প্রাজ্ঞ লেখক। তিনি ৩০০টিরও বেশি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ও প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে রবিবারের এই জানাজার নামাজে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শোকাহত মানুষ এবং অন্যান্য দেশের সমর্থকেরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার শুরু হওয়া দুই দিনের গণবিদায় অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সোমবার (৬ জুলাই) তেহরানে খামেনির জানাজার শোভাযাত্রা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠিত হবে। এতে তেহরানের বিপুলসংখ্যক মানুষ এবং ইরানের বিভিন্ন অঞ্চল ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা সমর্থকদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

এরপর মঙ্গলবার খামেনির মরদেহ বিদায় অনুষ্ঠান ও জানাজার জন্য কোম শহরে নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া ইরাকি কর্মকর্তাদের অনুরোধে বুধবার ইরাকের পবিত্র শহর কারবালা ও নাজাফে খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বৃহস্পতিবার শিয়াদের পবিত্র শহর মাশহাদে তার মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। একই হামলায় তার পরিবারের আরও চার সদস্য—মেয়ে জামাতা ড. মেসবাহ আল-হোদা, কন্যা সাইয়্যেদেহ বুশরা হোসেইনি খামেনি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং নাতনি জাহরা মোহাম্মদি গোলপায়েগানিও প্রাণ হারান।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD