প্রথমবারের মতো ইরানের সেতু ও রেলস্টেশনে হামলা করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে প্রথমবারের মতো সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি সেতু, রেলস্টেশন, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিমানবন্দরের মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও নয়জন আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতের ওই অভিযানে ইরানের তিনটি সেতু, একটি রেলস্টেশন ও একটি বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর সংখ্যা আরও বেশি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে আহভাজ, কেশম, বুশেহের, দাশতি, বোস্তান, সিরিক, বন্দর-ই লেঙ্গেহ, বন্দর-ই খামির, বন্দর আব্বাস এবং হরমুজগান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বড় পরিসরে বিমান হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।
ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি সেতুই বন্দর-ই খামির শহরে অবস্থিত। এছাড়া বন্দর আব্বাসের একটি রেলস্টেশন ও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রও হামলার শিকার হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
হরমুজগান প্রদেশে সড়ক, রেলপথ ও বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সময়ে কিশ দ্বীপে বিমান অভিযানের কারণে হরমুজগানের কয়েকটি এলাকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দেয়।
সর্বশেষ এই হামলার মধ্য দিয়ে ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানের টানা ষষ্ঠ দিন পূর্ণ হলো।
এর আগে ১৪ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে দেশটির সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
বিজ্ঞাপন
সেই ঘোষণার দুই দিনের মাথায় ইরানের একাধিক বেসামরিক স্থাপনায় এই প্রথম বড় ধরনের হামলা চালানো হলো।
সূত্র: এএফপি, এনডিটিভি।








