শক্তিশালী ভূমিকম্পে কলম্বিয়ায় প্রাণহানি বেড়ে ১৭৫

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে কয়েক হাজার ভবন ধসে পড়েছে। এসব ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে কলম্বিয়ার রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রথমে ১৬৫ জনের মৃত্যুর তথ্য জানায়। পরে ক্যালি শহর থেকে আরও ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এতে ভূমিকম্পে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে পৌঁছেছে।
গতকাল সোমবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এটিকে ‘ওয়ান্স ইন এ ডিকেড’ ভূমিকম্প হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। এটি সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে চোকো নামের একটি পাহাড়ি প্রদেশে। ভূমিকম্পটির কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী বোগোতা এবং অন্যান্য জনবহুল শহরগুলোতে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে তার ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিল্লা শুক্রবার শপথ গ্রহণ করেন। এরমধ্যেই দেশটিতে আঘাত হানল এত শক্তিশালী ভূমিকম্প। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যে তিনি দেশজুড়ে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কলম্বিয়ায় সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ভূমিকম্পে পশ্চিম কলম্বিয়ার ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেসসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়েছে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কম্পন প্রতিবেশী ইকুয়েডর ও পানামাতেও অনুভূত হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। মূল ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অন্তত ২১টি পরবর্তী কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন, আলজাজিরা








