Logo

চাঁদে গবেষণাগার ও ঘাঁটি নির্মাণে ভারতকে পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১ আগস্ট, ২০২৬, ১৯:৫১
চাঁদে গবেষণাগার ও ঘাঁটি নির্মাণে ভারতকে পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদে গবেষণাগার ও ঘাঁটি নির্মাণের মার্কিন উদ্যোগ ‘আর্টেমিস মিশনে’ ভারতকে যুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে সম্প্রতি ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অঙ্গসংগঠন সিজেএসডব্লিউজি এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইসরো সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আর্টেমিস মিশনের পাশাপাশি মহাকাশ গবেষণা, স্পেসফ্লাইট প্রযুক্তি এবং মানব নভোচারী পাঠানোর মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বেঙ্গালুরুতে ইসরোর সদর দপ্তরে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

ইসরোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আর্টেমিস অ্যাকর্ডের আওতায় চাঁদে ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে নাসা। ভারত এই উদ্যোগে সহযোগিতা করতে সম্মত হলে আর্টেমিস অ্যাকর্ডের অংশীদার হবে। এর ফলে চুক্তির আওতায় দুই দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বৈজ্ঞানিক তথ্য অবাধে আদান-প্রদান করতে পারবে। এ বিষয়ে ভারত সম্মতি জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

কর্মকর্তাদের মতে, আর্টেমিস অ্যাকর্ডে ভারতের অংশগ্রহণ চাঁদে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতি প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় দেশটির ভূমিকা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করবে। আর্টেমিস কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে আবার চাঁদের পৃষ্ঠে নিয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি চন্দ্র অনুসন্ধানের সক্ষমতা তৈরি করা। ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে অভিযানের প্রস্তুতিও এর আওতায় রয়েছে।

ভারতের নিজস্ব মহাকাশ কর্মসূচি যখন চন্দ্রাভিযান ও মানব মহাকাশযাত্রাকে গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে, ঠিক এমন সময়ই যুক্তরাষ্ট্রের এই আমন্ত্রণ এলো।

‘স্পেস ভিশন ২০৪৭’-এর আওতায় ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পাশাপাশি মহাকাশে নিজস্ব স্পেস স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। দেশটি ২০২৮ সালের মধ্যে স্টেশনের প্রথম মডিউল এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে পুরো স্টেশন নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

বিজ্ঞাপন

চন্দ্র অনুসন্ধানে ভারতের অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক চন্দ্রাভিযানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ২০২৩ সালে চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণ ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রমাণ দেয়। ওই অভিযানে চাঁদের পৃষ্ঠে নিরাপদে মহাকাশযান অবতরণ এবং রোভার পরিচালনার সক্ষমতা দেখিয়েছে ভারত।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD