ইরাকের কুর্দিস্তান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ইরানের ড্রোন হামলা

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রী মাসরুর বারজানিকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। হামলায় একটি ড্রোন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এবং আরেকটি কুর্দিস্তানের গোয়েন্দা প্রধানের বাড়িতে আঘাত হানে।
বিজ্ঞাপন
কুর্দিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী অধিদপ্তর জানিয়েছে, হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কুর্দিস্তান অঞ্চলকে একাধিকবার লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ রয়েছে তেহরানের বিরুদ্ধে। ইরানের আশঙ্কা ছিল, কুর্দিস্তান থেকে কুর্দি যোদ্ধারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষে ইরানে স্থল অভিযান পরিচালনা করতে পারে।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, কুর্দি গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থে কাজ করছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুর্দিস্তান অঞ্চলে ইরান ও তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে বহুবার ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক রাজধানী ইরবিলকে বিভিন্ন সময়ে লক্ষ্য করা হয়েছে। গত ১৭ জুলাইয়ের একটি হামলায় ইরবিলে ৯ জন নিহত হওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মাসরুর বারজানি বলেন, কুর্দিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের তদন্তে তার ব্যক্তিগত কার্যালয় এবং গোয়েন্দা প্রধানের বাড়িতে ইরানি ড্রোন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কুর্দিস্তান অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
এদিকে কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও গোয়েন্দা প্রধানের বাড়িতে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি বলেছে, এ ধরনের হামলা ইরাক ও ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের ভৌগোলিক অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
সূত্র: গালফ নিউজ








