মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী আরও ৬-৭ মুসলিম দেশ: পাকিস্তান

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আরও অন্তত ছয় থেকে সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বর্তমানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৩১ আগস্ট) চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ কূটনীতিকদের বৈঠক শুরুর আগে এ তথ্য জানান পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
এর আগে যুক্তরাজ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসহাক দার জানিয়েছিলেন, নতুন দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ করতে কর্মকর্তারা একটি খসড়া চুক্তির কাঠামো নিয়ে কাজ করছেন। তবে কোন কোন দেশ এতে যোগ দিতে আগ্রহী, তাদের নাম নির্দিষ্ট করে জানাননি তিনি।
গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’তে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা সর্বশেষ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নামও এসেছে। ত্রিপক্ষীয় এই প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, চুক্তিতে থাকা তিন দেশের যেকোনো একটি দেশ সশস্ত্র হামলার শিকার হলে সেটিকে বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চলতি মাসের শুরুতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, মিসরসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশকে এই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোটের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে।
চুক্তির আওতায় গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকে অংশ নিতে ইস্তাম্বুলে অবস্থান করছেন ইসহাক দার। বৈঠকে সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধানদেরও বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি চুক্তির আওতায় কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য একটি সচিবালয়ের কাঠামো নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটিকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: ব্লুমবার্গ








