Logo

যুদ্ধের সময় পাশে থাকায় পুতিনকে ইরানের প্রেসিডেন্টের কৃতজ্ঞতা

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০:৩৭
যুদ্ধের সময় পাশে থাকায় পুতিনকে ইরানের প্রেসিডেন্টের কৃতজ্ঞতা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার অবস্থানের জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে সরাসরি সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই ইরানের সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে মস্কো। এরই ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

কিরগিজস্তানে আয়োজিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধের সময় এবং আগ্রাসনের ঘটনাগুলোর মাঝে কিংবা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্র যখন আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিয়েছিল; প্রতিটি ধাপেই আপনাদের অবস্থানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, এ থেকেই প্রমাণিত হয়, আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত কৌশলগত; এটি কোনো সাধারণ সম্পর্ক নয়।

এর আগে, ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই প্রেসিডেন্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার ও সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তুর্কমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে পেজেশকিয়ান ও পুতিন শেষবারের মতো সাক্ষাৎ করেছিলেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। খামেনির মৃত্যুর পর ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রতিশোধ হিসেবে ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা শুরু করায় সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর থেকে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে রাখে তেহরান। জবাবে ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা নৌ-অবরোধ আরোপ করে।

গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সবচেয়ে তীব্র লড়াইয়ের অবসান হলেও হরমুজ প্রণালির আশপাশে বিচ্ছিন্ন হামলা অব্যাহত থাকে। এর ফলে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর তথাকথিত অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ নীতি বাস্তবায়নে আরও জোর দিয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনাও পুরোপুরি কমেনি।

গত এপ্রিলের শেষের দিকে সেন্ট পিটার্সবার্গে আয়োজিত বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির উদ্দেশ্যে পুতিন বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি সুরক্ষায় মস্কো সব ধরনের সাহায্য নিশ্চিত করবে।

সূত্র: এএফপি।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD