Logo

ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২২:০৫
ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক সংঘাতের মধ্যেও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি ১৩০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালে ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এ সময় ইসরায়েলি অস্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হয়ে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

বিজ্ঞাপন

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) গত ১ অক্টোবর প্রকাশিত ‘দ্য ডিফেন্স ডিভিডেন্ড অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৮৩০ কোটি ডলার। পাঁচ বছরের ব্যবধানে তা বেড়ে ১৯২০ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।

২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যুক্ত বাহরাইন, মরক্কো ও ইউএইতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির পরিমাণ ছিল মোট ৮৮০ কোটি ডলার। এর মধ্যে ইউএই ছিল অন্যতম প্রধান ক্রেতা। এসব রপ্তানির মধ্যে ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি, রাডার ও সেন্সর উল্লেখযোগ্য।

ইসরায়েল-ইউএই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু অস্ত্র কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ নেই। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ইউএইতে কার্যালয় স্থাপন করেছে। একই সঙ্গে ইউএইর রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এজ গ্রুপ (EDGE) ইসরায়েলের অন্তত আটটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে। দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তি, আকাশ প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক ও সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা এবং ইউএইর ওপর ইরানি হামলার পর ইসরায়েল ও আমিরাতের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ-এপ্রিলের সংঘাতের সময় ইসরায়েল ইউএইকে আকাশ প্রতিরক্ষা ও ড্রোন শনাক্তকরণ সক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও সরবরাহ করেছে বলে আইআইএসএস জানিয়েছে।

আইআইএসএসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের পর ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতা। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক এখন শুধু অস্ত্র আমদানি-রপ্তানির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে যৌথ বিনিয়োগ, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও প্রতিরক্ষা গবেষণার দিকেও বিস্তৃত হচ্ছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD