তেহরানে নারীদেরও দেওয়া হচ্ছে সামরিক প্রশিক্ষণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে ইরান। তেহরানে চালু হওয়া এমন একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নারীদেরও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ নিতে দেখা গেছে। খবর রয়টার্সের।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (৪ অক্টোবর) তেহরানের ইমাম হোসেইন স্কয়ারের একটি সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নারীদের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে দেখা যায়। সামরিক কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নেওয়ার পর তারা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুশীলন করেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তাদের হ্যান্ডগান চালানোর চর্চাও করতে দেখা যায়।
এর আগে শনিবার (৩ অক্টোবর) তেহরানের হাফত-ই তির স্কয়ারে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য নতুন একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল স্থল হামলা চালালে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ইমাম হোসেইন স্কয়ারেও এমন একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ৪৫ বছর বয়সী রাহেলেহ ঘাদিরি বলেন, যুদ্ধের সময় নিজের পরিবার ও এলাকার মানুষকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, তা জানা তার ভয় কিছুটা কমিয়ে দেবে।
বিজ্ঞাপন
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সাত মাসের সংঘাত শুরু হয়। পরে ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ৪০ দিনের যুদ্ধের অবসান হলেও এরপরও বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বড় ধরনের হামলা শুরু করলে ইরান আরও ব্যাপক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বেসামরিক নাগরিকদের সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।








