‘ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনসহ ইরানের কাছে নতুন সরঞ্জামের বিশাল মজুদ রয়েছে’

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনসহ নতুন ধরনের রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক সামরিক সরঞ্জামের বিশাল মজুত ইরানি সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া। পাশাপাশি আরও সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলমান যুদ্ধ থেকে ইরান মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং শত্রুর দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কাজে লাগানোর উপায় খুঁজে বের করেছে। এতে শত্রুর মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর আত্মবিশ্বাসও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আকরামি-নিয়া বলেন, “যুদ্ধ চলাকালে প্রতিদিন আমাদের সরঞ্জামের উৎপাদন অব্যাহত ছিল এবং বর্তমানেও তা পুরোদমে চলছে। সেনাবাহিনীর কাছে বর্তমানে সমরাস্ত্র ও সরঞ্জামের বিশাল মজুদ রয়েছে এবং সামরিক সরঞ্জামের দিক থেকে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানি সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে নতুন ধরনের সমরাস্ত্র ও যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবহার শুরু করেছে। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মতো কিছু কৌশলগত সামরিক সরঞ্জাম উপযুক্ত ও সঠিক সময়ে উন্মোচন করা হবে বলেও জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাহিনীর হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে দুই পক্ষ দুই দফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও দুবারই তা ভেঙে যায়।
সর্বশেষ আগস্টে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়ে দেশটির ওপর অর্থনৈতিক অভিযান ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ শুরু করে ওয়াশিংটন। এরপর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা আপাতত বন্ধ রয়েছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে ফের সামরিক অভিযান শুরু হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আলজাজিরা, ওয়ানা নিউজ








