সৌদির পাশে তুরস্ক-পাকিস্তান, উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক সহায়তার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৭ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশ দুটি সৌদিকে সহায়তা করতে চায় এবং তিনি এটিকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
বিজ্ঞাপন
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের আওতায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৫ অক্টোবর রিয়াদে জরুরি বৈঠক করে। বৈঠকে তিন দেশ যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং সৌদি আরবে প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে একমত হয়।
তিন দেশের এই প্রতিরক্ষা চুক্তি গত আগস্টে স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, জোটের কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, সৌদি আরবকে মূলত প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে আঙ্কারা। এর মধ্যে বিমান প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তিগত সহায়তা, গোয়েন্দা সহযোগিতা ও সামরিক সরঞ্জাম দেওয়ার বিষয় রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, তুরস্ক কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে না।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রিয়াদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে যেকোনো হামলার নিন্দা জানায় তিন দেশ। পাশাপাশি সৌদি আরবের শহর, বেসামরিক স্থাপনা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় হামলার বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
এই সামরিক সমন্বয়ের পেছনে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের চলমান সংঘাত অন্যতম কারণ। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি ভূখণ্ড ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা বেড়েছে। এর প্রেক্ষাপটে রিয়াদ মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহায়তা চাইছে।
তুরস্ক ও পাকিস্তানের সহায়তার পরিধি এবং কতসংখ্যক সামরিক সদস্য বা কী ধরনের সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তুরস্কের ক্ষেত্রে চুক্তিটি দেশটির সংসদীয় অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্যেও রয়েছে।








