আ.লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: প্রেস সচিব

আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার একটি সাক্ষাৎকার অনুবাদের সময় ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রেস সচিবের ভাষ্যে, প্রধান উপদেষ্টা কখনই বলেননি যে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে। তিনি শুধু দলের বর্তমান অবস্থান বা স্ট্যাটাস সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। নির্বাচনের আগে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টিও তিনি কোথাও উল্লেখ করেননি।
শফিকুল আলম জানান, অনেক সময় অনুবাদকারীরা প্রেক্ষাপট না দেখে বক্তব্যের অংশ তুলে ধরেন। এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। “এই ক্ষেত্রে যে বার্তাটি প্রচারিত হয়েছে, তা ভুল ও বিভ্রান্তিকর,” মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা বহাল থাকবে। সরকার কিংবা নির্বাচন কমিশনের কোনো পরিকল্পনা নেই এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার। নির্বাচন কমিশনও একই প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আওয়ামী লীগ আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।
জাতীয় নির্বাচনে অনিশ্চয়তার প্রশ্নে প্রেস সচিব স্পষ্টভাবে জানান, “কোনো অনিশ্চয়তা নেই। আমরা আশা করি, জুলাইয়ের সংশ্লিষ্ট সনদ দ্রুত স্বাক্ষরিত হবে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো তখন নির্বাচনে সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করবে। গ্রামগঞ্জে গেলে দেখবেন, নির্বাচনের উৎসাহ ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। প্রতিটি জায়গায় বড় বড় ব্যানার টাঙানো হয়েছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা বারবার নিজের কথা জানাচ্ছেন। এটি স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে নির্বাচনের উত্তেজনায় আছেন সবাই। আমরা আশা করছি, এই উত্তেজনা আরও বাড়বে।”
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র নির্বাচনী উৎসাহ শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারণায় সক্রিয় হয়েছেন, যা নির্বাচনী উত্তেজনারই প্রতিফলন।
এর আগে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে জিটিওর সাংবাদিক মেহেদি হাসানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের এজেন্ডা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকারের তিনটি মূল দায়িত্ব হলো সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন। সংস্কার ছাড়া কেবল নির্বাচন করলে পুরনো সমস্যাই ফিরে আসবে। তাই একটি ভিন্ন কাঠামো নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার।








