‘পাশা’-কে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা) নিয়ে চলমান সমালোচনার মধ্যেই সংস্থাটিকে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়। এর আগে পাশার অনুমোদন বাতিলের ঘোষণা আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল মল্লিকের স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় দেশের বিভিন্ন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাশার জন্য পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা-২০২৫ অনুসারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য মোট ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব সংস্থার আওতায় কেন্দ্রীয়ভাবে ৭ হাজার ৯৯৭ জন এবং স্থানীয় পর্যায়ে ৪৭ হাজার ৪৫৭ জনসহ মোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণে অংশ নিতে পারবেন।
বিজ্ঞাপন
পাশাকে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান জানতে চাইলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, যদি কোনো সংস্থাকে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়ে থাকে, তবে সেটির পেছনে নিশ্চয়ই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্দেশনায় কতজন পর্যবেক্ষককে কার্ড দেওয়া হবে, সে বিষয়টিও উল্লেখ থাকার কথা। এ বিষয়ে এর বেশি মন্তব্য করতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে পাশার অনুমোদন বাতিলের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তার মধ্যেই পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার এই নির্দেশনা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় কমিশনের ভূমিকা কী হবে—তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
নির্বাচনের আগে এমন সিদ্ধান্ত কমিশনের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়, এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন ও তার প্রভাব আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়।








