Logo

প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়ার আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:২৪
প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়ার আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ভোটের দিন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ভোটারদের, বিশেষ করে নতুন ভোটারদের, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগেই জানা থাকা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

ভোট দিতে কী তথ্য প্রয়োজন, ভোট প্রদানের সঠিক নিয়ম কী, ব্যালট পেপার কীভাবে ভাঁজ করতে হবে এবং কোন ব্যালট বাক্সে ব্যালট ফেলতে হবে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকলে ভোটকেন্দ্রে কোনো জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় না। একটি ভোটের মাধ্যমেই রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকের মতামতের প্রতিফলন ঘটে—এই গুরুত্ব অনুধাবন করেই প্রত্যেক ভোটারের সচেতন থাকা জরুরি।

নতুন ভোটারদের মধ্যে ভোট দেওয়া নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও, অনেক সময় প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় দ্বিধা বা সংশয় তৈরি হয়। এই দ্বিধা যেন কাউকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত না রাখে, সে জন্য নির্বাচন কমিশন ভোট সংক্রান্ত তথ্য জানার একাধিক সহজ ব্যবস্থা রেখেছে।

বিজ্ঞাপন

ভোটাররা নির্বাচন কমিশনের ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র, ভোটার নম্বর ও ক্রমিক নম্বর জানতে পারবেন। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ১০৫ নম্বরে কল করে অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপলে, এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যাবে।

এসএমএসের মাধ্যমেও ভোটার তথ্য জানা সম্ভব। এ জন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি বার্তায় ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট এবং উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিস থেকেও এসব তথ্য সংগ্রহ করা যাবে।

ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখা উত্তম, যদিও এটি বাধ্যতামূলক নয়। ভোটার তালিকায় নাম ও ছবি থাকলে এবং পোলিং অফিসার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলে ভোট দেওয়া যাবে। তবে ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অস্ত্র বা দাহ্য পদার্থ নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বিজ্ঞাপন

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর পোলিং অফিসার ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাই করবেন এবং আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগাবেন। এরপর সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য আলাদা দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। ব্যালট গ্রহণের সময় পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

এরপর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে সিল দিতে হবে। গণভোটের ক্ষেত্রে হ্যাঁ বা না—যেটি প্রযোজ্য—সেটিতে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য কোনো প্রতীকে না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাই নিরাপদ বলে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

ভাঁজ করা ব্যালট সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলার মাধ্যমে ভোট প্রদান সম্পন্ন হবে। ভোট দেওয়ার পর দ্রুত ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশনা রয়েছে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে না। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সম্পূর্ণ সনাতন পদ্ধতিতে—কাগজের ব্যালট ও ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে। ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো কেবল তথ্য ও প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, ভোট প্রদানের জন্য নয়।

জেবি/আরএক্স
Logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ( শফিক )

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৫৭, ময়মনসিংহ লেন, ২০ লিংক রোড, বাংলামটর, ঢাকা-১০০০।

ফোনঃ 02-44615293

ই-মেইলঃ dailyjanobaninews@gmail.com; dailyjanobaniad@gmail.com

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD